কক্সবাজারে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মধ্যরাতে ঢাকায় ফিরেছেন। রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে রাজধানীর উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
সকালে কক্সবাজারে পৌঁছানোর পর থেকেই একাধিক সরকারি ও সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সফরের শুরুতে সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকায় গিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত পাতলী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পরে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।
এরপর ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গিয়ে দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং নিজ হাতে চারা রোপণ করেন।
পেকুয়া উপজেলায় সফরকালে জুলাই আন্দোলনের শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান এবং ২০ লাখ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র হস্তান্তর করেন। একই সফরে পেকুয়া পৌরসভা, মাতামুহুরি উপজেলা ও থানা প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন তিনি।
সন্ধ্যায় চকরিয়া বাস টার্মিনাল এলাকায় আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা, স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
রাতের কর্মসূচিতে কক্সবাজারের লং বীচ হোটেলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। সফরের শেষভাগে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র সৈকত এলাকা পরিদর্শন শেষে ঢাকার পথে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ব্যারিস্টার জুবাইদা রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং তাঁর স্ত্রী হাসিনা আহমদ। প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে পুরো জেলায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।