পরীক্ষামূলক প্রচার

Breaking News

রোয়াংছড়ি-কচ্ছপতলী সড়ক ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রম, ঝুঁকিতে ‘দেবতাখুম’ পর্যটন

চিংনুমং মারমা, রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পাহাড়ি ঢলে ধসে পড়েছে রোয়াংছড়ি-কচ্ছপতলী সড়কের একাংশ; বন্ধ হওয়ার উপক্রম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র 'দেবতাখুম'-এ যাতায়াতের পথ। ছবি: গিরিকণ্ঠ
পাহাড়ি ঢলে ধসে পড়েছে রোয়াংছড়ি-কচ্ছপতলী সড়কের একাংশ; বন্ধ হওয়ার উপক্রম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র 'দেবতাখুম'-এ যাতায়াতের পথ। ছবি: গিরিকণ্ঠ

বান্দরবান পার্বত্য জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলা থেকে কচ্ছপতলী সংযোগ সড়কের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ধসে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে যাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। অতি দ্রুত সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করা না হলে রোয়াংছড়ি ও কচ্ছপতলীর মধ্যবর্তী সরাসরি সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড় ধসের কারণে সড়কটির একাধিক স্থানে বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি হয়েছে এবং বেশ কিছু অংশ ইতোমধ্যে ধসে পড়েছে। যেকোনো মুহূর্তে পুরো সড়কটি ধসে পড়ার মতো চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। বর্তমানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে এই রুটে সীমিত আকারে কিছু যানবাহন চলাচল করলেও, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, রোয়াংছড়ির অন্যতম প্রধান ও দেশজুড়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ‘দেবতাখুম’-এ যাওয়ার একমাত্র পথ এই কচ্ছপতলী সড়ক। প্রতিদিন শত শত পর্যটক কচ্ছপতলী হয়ে দেবতাখুমে যাতায়াত করেন। সড়কটির এই ভয়াবহ দশার কারণে একদিকে যেমন পর্যটকদের আগমন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় পাহাড়ি কৃষিজাত পণ্য পরিবহনে দেখা দিয়েছে চরম স্থবিরতা। ফলে স্থানীয় পর্যটন শিল্প ও সাধারণ অর্থনীতি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে।

যানবাহন চলাচল ও জনজীবন সচল রাখতে সড়কটির এমন বেহাল দশা নিরসনে ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বর্ষার মৌসুম পূর্ণাঙ্গ রূপ নেওয়ার আগেই অতি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে সড়কটির টেকসই সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, প্রশাসন এখনই জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে কচ্ছপতলী এলাকাটি উপজেলা সদর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে এক প্রকার দ্বীপে পরিণত হতে পারে।

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত