বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দুর্গম পাহাড়ি পথে চলাচলের অন্যতম প্রধান বাহন “চাঁদের গাড়ি” শুধু একটি যানবাহন নয়, বরং এটি পাহাড়ি জনপদের জীবনসংগ্রাম, উদ্ভাবনশীলতা এবং সংস্কৃতির প্রতীক। খাড়া, পিচ্ছিল ও আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তায় যেখানে আধুনিক যানবাহন প্রায় অচল, সেখানে এই বিশেষভাবে তৈরি গাড়িগুলোই হয়ে উঠেছে মানুষের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। বিশেষ করে বান্দরবান, রাঙ্গামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় এটি যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চাঁদের গাড়ির ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে জানা যায়, এর প্রচলন মূলত ১৯৭০-এর দশকের শেষভাগ থেকে ১৯৮০-এর দশকে শুরু হয়। স্বাধীনতার পর পার্বত্য অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ ধীরে ধীরে গড়ে উঠলেও সেগুলো ছিল অত্যন্ত দুর্গম ও অপরিকল্পিত। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত পুরনো জিপ ও অ্যাম্বুলেন্স ধীরে ধীরে বাতিল (রিজেক্ট) হতে থাকে। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও কারিগররা সেই সব শক্তিশালী চেসিস ও ইঞ্জিন সংগ্রহ করে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন ও রূপান্তর করেন। এর ফলে তৈরি হয় এক নতুন ধরনের বাহন, যা পাহাড়ি রাস্তার জন্য উপযোগী—এই বাহনই পরবর্তীতে “চাঁদের গাড়ি”...
ঈদের টানা ছুটিকে ঘিরে জেলায় পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম দেখা গেছে। প্রকৃতির সান্নিধ্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার...
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালির রুইলুই পাড়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৭০০ ফুট উচ্চতায় নির্মিত হয়েছে দেশের অন্যতম উচ্চস্থানে...
স্টাফ রিপোর্টার | বান্দরবান জাতীয় নির্বাচনের পর দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।...
বান্দরবানের পাহাড়ি জনপদে লুকিয়ে থাকা এক অনন্য প্রাকৃতিক নিদর্শনের নাম থিন্দু বড় পাথর। পাহাড়, ঝিরি আর বিশালাকৃতির পাথরের সমন্বয়ে গড়ে...