প্রকাশ :: ... | ... | ...

পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই পানির উৎস নিশ্চিত করতে ঝর্ণা পুনরুজ্জীবিত করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংকট হলো পানি। তাই পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ ও টেকসই পানির উৎস নিশ্চিত করতে এখানকার ঝর্ণাগুলোকে অবিলম্বে পুনরুজ্জীবিত ও সংরক্ষণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু। আন্তর্জাতিক সংস্থা আইসিআইএমওডি (ICIMOD)-এর প্রদর্শিত সমাধানগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল পদ্ধতিগুলো পুরো পার্বত্য অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি)-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পানির সংকট নিররণে ‘এইচআই-সিএএস’ প্রকল্পের প্রশংসা বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পানীয় জলের ব্যবস্থাকে অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী সাচিং প্রু। তিনি স্থানীয় পানি সংকট নিরসন এবং স্প্রিংশেড তথা ঝর্ণা ও পানির উৎস পুনরুজ্জীবিতকরণে আইসিআইএমওডি-এর ‘এইচআই-সিএএস’ (HI-CAS) প্রকল্পের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, এই প্রকল্পটিকে অবশ্যই সফল হতে হবে এবং এর বাস্তবায়ন ও প্রসারে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। জলবায়ু সহনশীলতা ও সমন্বিত উদ্যোগ আলোচনাকালে পার্বত্য অঞ্চলে জলবায়ু অভিযোজন, পানি নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়। পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের প্রকৃত চাহিদা ও বাস্তবতার নিরিখে জলবায়ু অভিযোজন সংক্রান্ত বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আইসিআইএমওডি, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তথ্য-ভিত্তিক, স্থানীয় উপযোগী ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় ও আইসিআইএমওডি তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।