প্রকাশ :: ... | ... | ...

লামায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট: কৃষক-পরিবহন খাতে অচলাবস্থা, পাশে থাকার আশ্বাস মিম ফিলিং স্টেশনের


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: গিরিকন্ঠ

লামা উপজেলা-তে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের ঘাটতির কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও পরিবহন শ্রমিকরা। বোরো চাষের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ডিজেল না পেয়ে হাজার হাজার কৃষক তাদের ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। অন্যদিকে তেলের অভাবে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। পরিবহন সংকটের কারণে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে এসেছে মেসার্স মিম ফিলিং স্টেশন। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আইয়ুব আলী জানিয়েছেন, সংকট যতই গভীর হোক না কেন, কৃষক ও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সেবা দিয়ে যাবেন তারা। সরেজমিনে দেখা যায়, মিম ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই সংকট আরও তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে কৃষকদের জন্য সেচ কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আলহাজ্ব আইয়ুব আলী বলেন, “লামা ও আলীকদম এলাকার কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। বরাদ্দ কম থাকলেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যেন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো যায়।” তিনি আরও জানান, তেল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং জ্বালানি বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, এই ফিলিং স্টেশনটি শুধু লামা নয়, আশপাশের আলীকদম উপজেলা ও চকরিয়া উপজেলা-এর একটি অংশের জ্বালানি চাহিদাও পূরণ করে থাকে। ফলে দ্রুত সংকট সমাধান না হলে স্থানীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।