| ছবি: গিরিকণ্ঠ
বান্দরবানে চাঁদাবাজি, সাধারণ মানুষকে হয়রানি এবং সাংবাদিক পরিচয়ে হুমকি-ধমকির অভিযোগে মোঃ হাসান নামের এক ছাত্রলীগ নেতাকে গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত হাসান ৪ নম্বর সুয়ালক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং দৈনিক দৈনিক প্রতিদিন কাগজ-এর বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিক পরিচয়কে ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাসান বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করতেন। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে সাংবাদিক দিয়ে হয়রানি করা এবং পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিতেন। এছাড়া রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার চালানোরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, সরকার পরিবর্তনের পরও তিনি অপকর্ম বন্ধ না করে নতুনভাবে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে মানুষকে জিম্মি করার চেষ্টা করছিলেন। হাসানের বিরুদ্ধে পাহাড় কাটা, ছড়া ও নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং বনাঞ্চল থেকে গাছ কাটার মতো পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিনের ক্ষোভের জেরে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বান্দরবান ট্রাফিক মোড়ে তাকে আটক করে উত্তেজিত জনতা গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।