প্রকাশ :: ... | ... | ...

কেইনকে ‘অভিশাপ’ দেওয়া সেই ওঝার নতুন বোমা: কেপ ভার্দের কাছে হেরে বিদায় নেবে আর্জেন্টিনা!


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: গিরিকণ্ঠ

চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি মাঠের বাইরের নানা কাণ্ডেও মুখর ফুটবলবিশ্ব। গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে মন্ত্রবলে আটকে দেওয়ার দাবি করে আলোড়ন সৃষ্টি করা ঘানার সেই আলোচিত ওঝা নানা কোয়াকু বনসাম এবার এক বিস্ফোরক ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তাঁর দাবি, রাউন্ড অব থার্টি টু (শেষ ৩২)-এর ম্যাচে পুঁচকে কেপ ভার্দের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা! হ্যারি কেইনকে আটকে ভাইরাল হন বনসাম গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ঘানার মুখোমুখি হওয়ার আগে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইনের ওপর ‘কালো জাদু’ বা অভিশাপ দেওয়ার দাবি করে প্রথম দফায় ভাইরাল হন এই ঘানাইয়ান ওঝা। সে সময় তিনি বলেছিলেন, “আমি কেইনের ওপর কাজ করছি। আমি তার বড় কোনো ইনজুরি চাই না। তবে আমার দেশের বিরুদ্ধে তাকে আটকে রাখার জন্য যতটুকু দরকার, ততটুকুই করব।” নাটকীয়ভাবে সেই ম্যাচটি সত্যিই ০-০ গোলে ড্র হয়েছিল। আর চলতি বিশ্বকাপে বায়ার্ন মিউনিখের এই তারকা স্ট্রাইকার কেবল ওই একটি ম্যাচেই গোল পাননি। ম্যাচ শেষে ওঝা বনসাম দাবি করেন, তিনি কেইনকে মুক্ত করে দিয়েছেন এবং পরের ম্যাচেই কেইন গোল পাবেন। তাঁর সেই কথা মিলেও যায়; পরের ম্যাচে পানামার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ২-০ ব্যবধানের জয়ে ঠিকই গোল পান কেইন। আর্জেন্টিনাকে নিয়ে নতুন ভবিষ্যদ্বাণী এবার নকআউট পর্ব নিয়ে নতুন মিশন শুরু করেছেন এই তান্ত্রিক। গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ সহজে জিতে শেষ ৩২ নিশ্চিত করা আর্জেন্টিনাকে নিয়ে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী, “শেষ ৩২-এর ম্যাচে কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে।” বাংলাদেশ সময় আগামী ৪ জুলাই (শনিবার) ভোর ৪টায় মায়ামির স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে এসেই স্পেন ও উরুগুয়ের মতো বড় দলকে আটকে দিয়ে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে মাত্র সাড়ে ৫ লাখ জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে। ইতিহাস অবশ্য আর্জেন্টিনার পক্ষেই বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত সাতবার আফ্রিকার দলগুলোর মুখোমুখি হয়েছে। তবে নকআউট পর্বে আফ্রিকার কোনো দলের বিপক্ষে এটাই হতে যাচ্ছে আলবিসেলেস্তেদের প্রথম ম্যাচ। আগের সাত ম্যাচের ইতিহাস অবশ্য লাতিন আমেরিকার দলটির পক্ষেই কথা বলছে, যার মধ্যে ছয়টিতেই জিতেছে আর্জেন্টিনা (পাঁচটি নাইজেরিয়ার বিপক্ষে এবং একটি আইভরিকোস্টের বিপক্ষে)। আফ্রিকার দলের কাছে তাদের একমাত্র হারটি এসেছিল ১৯৯০ বিশ্বকাপে, ক্যামেরুনের বিপক্ষে। মাঠে মেসির ম্যাজিক চলবে নাকি ঘানার ওঝার কালো জাদুর ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হবে, তা দেখার জন্য ৪ জুলাই ভোর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ফুটবল ভক্তদের।